ইন্টারভিউ দিতে এসে চোদনের শিকার হওয়ার Bangla choti golpo
আমি পৃথা। হয়ত বাংলা চটি কাহিনী আমার এই গল্পটি পোস্ট করবে না আবার করলেও কেউ পড়বে না তার পরও লিখছি। গত কিছু বছর আগে উচ্চশিক্ষার তাগিদে বর্ধমান থেকে কোলকাতা এসে ভর্তি হয়েছিলাম একটি সনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে। ৫’৭’’ ইঞ্ছি লম্বা, মধ্যবিত্ব পরিবারের খুব সুন্দর একটি মেয়ে আমি।
প্রথমে প্রথমে ক্লাসের মেয়েরা সকলে আমাকে দেখে টিটকারি মারত দেখতে সুন্দর মেয়েটা কি সব সস্তা ড্রেস পড়ে দেখ এবং কলেজের পুরানো সেই ছেঁড়া ফাটা ব্যাগটা নিয়ে আমাদের সাথে পড়তে এসেছে। খুব খারাপ হয়ে যেত মন যখন ক্লাসের বান্ধবীরা প্রতিদিন এক এক রকম ড্রেস, জুতা পড়ে আসত এবং নানান রকমের ব্যাগও আনত।
প্রতি মাসে আমার বাবা মা আমাকে দশ হাজার টাকা দিতেন দৈনন্দিনও মাসিক খরচের জন্য। কিন্তু ঐ টাকা থেকে আমার কাপড় চোপড় কেনার মত টাকা থাকত না, যার ফলে মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম বাবা মাকে না জানিয়ে যদি একটি চাকরি করি কেমন হয়।
প্রতি মাসে আমার বাবা মা আমাকে দশ হাজার টাকা দিতেন দৈনন্দিনও মাসিক খরচের জন্য। কিন্তু ঐ টাকা থেকে আমার কাপড় চোপড় কেনার মত টাকা থাকত না, যার ফলে মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম বাবা মাকে না জানিয়ে যদি একটি চাকরি করি কেমন হয়।
তারপর, অনলাইনে এবং বিভিন্ন পত্রিকায় চাকরির বিজ্ঞাপন শুরু করলাম দেখতে। হঠাৎ পেয়ে গেলাম আমার স্বপ্নের সেই চাকরির খোঁজ, চাকরিটি হল রিসেপসনিস্টের। সকালে উঠে বায়োডাটা জমা দিতে যেতে হবে তাই রাতে ভাল ঘুম হয়নি, সকালে যখন সেই অফিসে গেলাম বায়োডাটা জমা দিতে গিয়ে দেখি আমার মত অনেক মেয়েরা আসছে। বায়োডাটা জমা দেওয়ার পর যখন চলে আসব ঠিক তখনি একটি ছেলে এসে বলে ম্যানেজার স্যার আপনাকে ডাকছেন।
আমি চিন্তায় পরে গেলাম কি জন্য ডাকতে পারে কিছুই বুজতেছি না। তারপর আমি ম্যানেজারে সাথে দেখা করে বললাম স্যার কেন ডেকেছেন? ম্যানেজার বলল আগামীকালের জন্য আমাদের জরুরি দুই জন রিসেপসনিস্ট লাগবে। আমরা আপনাকে সিলেক্ট করেছি আপনার কোন ট্রেনিং এর দরকার নেই, কাল আমাদের বিদেশি এমডি আপনার ছোট খাট ইন্টারভিউ নিবেন তার পর পর আপনি কাজে জয়েন করবেন।
আমি খুব টেনশনে পরে গেলাম এবং উনাকে বললাম ইন্টারভিউতে কি প্রশ্ন করতে পারে স্যার? উনি জবাব দিলেন এ গুলু খুব সহজ, যেমন আপনি কি কি পোশাক পরতে পছন্দ করে, আপনার প্রিয় কালার কি, কেন আপনি রিসেপসনিস্ট হতে চান এই আর কি। তারপর আমি ম্যানেজার কে বললাম স্যার তাহলে আমি কি যেতে পারি? ম্যানেজার বলল অবশ্যই যাবেন মনে রাখবেন কাল সকাল ৯ টায় আপনাকে অফিসে আসতে হবে। আমি বললাম ঠিক আছে আমি সময় মত চলে আসব।
পরের দিন সকাল ৮.৩০ অফিসে গেলাম, দারোয়ান আমাকে দেখে বলল চার তলায় গিয়ে দেখবেন আরও এক জন দারোয়ান দারিয়ে আছে তাকে আপনার ইন্টারভিউ এর কথা বললেই হবে, তারপর সে আপনাকে ইন্টারভিউ রুমে নিয়ে যাবে। দারোয়ানদের সাহাজ্যে আমি ইন্টারভিউ রুমে প্রবেশ করলাম। ইন্টারভিউ রুমে গিয়ে গিয়ে দেখি টেবিলের উপর ছোট ছোট অনেক গুলি ব্রা আর পেন্তি পরে আছে। ভাবলাম এগুলি থাকতেই পারে, এখন ৮.৪৫ বাজে পনের মিনিট পর স্যার আসবে কিছুই বুজতে পারছি না। হঠাৎ রুমের কোনায় রাখা বিন ব্যাগ টির দিকে নজর গেল, চেয়ে দেখি সাত আঁটটা কনডমের ক্যাপ আর দুই তিনটে ব্যবহিত কনডমের ভিতর থেকে মাল চুয়ে চুয়ে বিন ব্যাগের মধ্যে পরছে।
মনটা খারাপ হয়ে গেল। কি করি এখন ভাবতে ভাবতেই দেখি একটা বিদেশি কালো লোক রুমে প্রবেশ করল। আমাকে দেখেই বলল আর ইউ পৃথা?
আমি বললাম ইয়েস স্যার। তারপর কালো লোকটি বলল আই এ্যাম স্মিথ, এই বলে আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিল হ্যান্ড শেক করতে আমিও হ্যান্ড শেক করতে হাত বাড়িয়ে দিলাম। স্মিথ আমার হাত ছাড়ছেন না হাতের মদ্যে মুচরানো শুরু করলেন।
আমি বললাম স্যার হোয়াট আর উ ডুইয়িং?
স্মিথ বলল নাথিং জাস্ট চেকিং? এ কথা বলেই আমার ধুধে হাত রেখে ময়দার বস্তার মত টেপা শুরু করল, অন্য দিকে আমার মুখের মদ্যে তার মুখ রেখে চুষতে শুরু করল। স্মিথের এত শক্তি যে আমি আমাকে ছাড়াতে পারছিলাম না আবার চিৎকারও দিতে পাড়ছিলাম না।
No comments:
Post a Comment
কমেন্ট করবেন